০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের কল্যাণ সাধন সরকারের মূল লক্ষ্য : মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি)

 মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৮:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / ১৪ Time View

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম দফা ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন করা। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু, বিনামূল্যে নারী শিক্ষা প্রসারের ফলে অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য সর্বনিম্ন রিসোর্স (সম্পদ) ব্যবহার করে সর্বোচ্চ আউটপুট (ফলাফল) পাওয়া এবং জনগণের কল্যাণ সাধন। আজ ০৭ জুন রবিবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচীর বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসান, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো: গোলাম মোস্তফাসহ ময়মনসিংহের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অংশ এই সিগনেচার প্রোগ্রামসমূহ। যেমন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি (২৫ কোটি), নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা তৈরি, আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নসহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, মহিলাদের সাবলম্বীকরণ, ডিজিটাল আসক্তি এড়িয়ে স্কুল-কলেজগামী ছেলেমেয়েদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করানো, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক রপ্তানি ও রেমিট্যান্স এর বাইরে কৃষিপণ্য, চামড়া, ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ রপ্তানি সম্প্রসারণ সরকারের অগ্রাধিকার কাজের অংশ। জনগণের কল্যাণ সাধন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রধান অতিথি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করার জন্যই আজকের এ আয়োজন। আমরা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক্সেস করেছি যাতে জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা যায়। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের সিগনেচার প্রোগ্রামের কাজগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে বৃহত্তর স্বার্থে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে এবং সবার আগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জনগণের কল্যাণ সাধন সরকারের মূল লক্ষ্য : মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি)

Update Time : ০৮:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম দফা ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন করা। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু, বিনামূল্যে নারী শিক্ষা প্রসারের ফলে অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য সর্বনিম্ন রিসোর্স (সম্পদ) ব্যবহার করে সর্বোচ্চ আউটপুট (ফলাফল) পাওয়া এবং জনগণের কল্যাণ সাধন। আজ ০৭ জুন রবিবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচীর বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসান, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো: গোলাম মোস্তফাসহ ময়মনসিংহের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অংশ এই সিগনেচার প্রোগ্রামসমূহ। যেমন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি (২৫ কোটি), নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা তৈরি, আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নসহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, মহিলাদের সাবলম্বীকরণ, ডিজিটাল আসক্তি এড়িয়ে স্কুল-কলেজগামী ছেলেমেয়েদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করানো, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক রপ্তানি ও রেমিট্যান্স এর বাইরে কৃষিপণ্য, চামড়া, ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ রপ্তানি সম্প্রসারণ সরকারের অগ্রাধিকার কাজের অংশ। জনগণের কল্যাণ সাধন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রধান অতিথি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করার জন্যই আজকের এ আয়োজন। আমরা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক্সেস করেছি যাতে জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা যায়। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের সিগনেচার প্রোগ্রামের কাজগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে বৃহত্তর স্বার্থে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে এবং সবার আগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে