০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামায় পৈত্রিক জমিতে চারা রোপণ,সন্ধ্যায় গাছ কেটে দিল প্রতিপক্ষ

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / ৪২৩ Time View

 উজ্জ্বল রায়,খানসামা(দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের আরাজী জাহাঙ্গীরপুর (পাঠানপাড়া) গ্রামে পৈত্রিক জমিতে ইউক্লিপটার্স চারা রোপণ,প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টায় হামলা ও ইউক্লিপটার্স গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মোঃ গোলাম হোসেন (৫৬) এ বিষয়ে খানসামা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মোঃ গোলাম হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি তার পিতা মৃত কছিম উদ্দিনের সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে প্রায় ৩০ বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছিলেন। শুক্রবার (৩০ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ও তার শ্রমিকরা জমির চারপাশে প্রায় ৫০০টি ইউক্লিপটাস গাছের চারা রোপণ করেন। তিনি আরও জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, এজাবুল ইসলাম, এন্দাদুল, মাহাবুর ইসলাম, মো. মুসা, এমদাদুল হক,

 

আব্দুল মালেকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ১৭৫টি গাছ কেটে ফেলে, ৮৫টি গাছ ভেঙে ফেলে এবং ৫৫টি গাছ উপড়ে ফেলে দেয়। এ ছাড়া তারা প্রায় ১৮৫টি গাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ১৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গোলাম হোসেন আরও বলেন, “সংবাদ পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং লোহার রড, দা, লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। আমরা প্রাণভয়ে পালিয়ে আসি।” এছাড়া অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে বলছে, কেউ থানায় বা আদালতে মামলা করলে তাদের খুন-জখম করবে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় মোঃ মজনু মিয়া, সোয়েব আহম্মেদ, মোঃ পিয়েল মাহমুদ ও মোঃ আলতাফ হোসেনসহ অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন। গ্রামে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছে। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, অভিযুক্ত মোঃ মুসার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যান্য অভিযুক্তদের কারো সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ নজমুল হক বলেন, “অভিযোগটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খানসামায় পৈত্রিক জমিতে চারা রোপণ,সন্ধ্যায় গাছ কেটে দিল প্রতিপক্ষ

Update Time : ০৫:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 উজ্জ্বল রায়,খানসামা(দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের আরাজী জাহাঙ্গীরপুর (পাঠানপাড়া) গ্রামে পৈত্রিক জমিতে ইউক্লিপটার্স চারা রোপণ,প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টায় হামলা ও ইউক্লিপটার্স গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মোঃ গোলাম হোসেন (৫৬) এ বিষয়ে খানসামা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মোঃ গোলাম হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি তার পিতা মৃত কছিম উদ্দিনের সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে প্রায় ৩০ বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছিলেন। শুক্রবার (৩০ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ও তার শ্রমিকরা জমির চারপাশে প্রায় ৫০০টি ইউক্লিপটাস গাছের চারা রোপণ করেন। তিনি আরও জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, এজাবুল ইসলাম, এন্দাদুল, মাহাবুর ইসলাম, মো. মুসা, এমদাদুল হক,

 

আব্দুল মালেকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ১৭৫টি গাছ কেটে ফেলে, ৮৫টি গাছ ভেঙে ফেলে এবং ৫৫টি গাছ উপড়ে ফেলে দেয়। এ ছাড়া তারা প্রায় ১৮৫টি গাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ১৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গোলাম হোসেন আরও বলেন, “সংবাদ পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং লোহার রড, দা, লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। আমরা প্রাণভয়ে পালিয়ে আসি।” এছাড়া অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে বলছে, কেউ থানায় বা আদালতে মামলা করলে তাদের খুন-জখম করবে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় মোঃ মজনু মিয়া, সোয়েব আহম্মেদ, মোঃ পিয়েল মাহমুদ ও মোঃ আলতাফ হোসেনসহ অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন। গ্রামে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছে। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, অভিযুক্ত মোঃ মুসার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যান্য অভিযুক্তদের কারো সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ নজমুল হক বলেন, “অভিযোগটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।