কাপাসিয়ায় বসতবাড়িতে পরিকল্পিত ডাকাতি নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট,বাধা দেয়ায় হামলা একজনকে পুলিশে সোপর্দ
- Update Time : ০৬:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- / ১০ Time View

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গভীর রাতে একটি বাড়ি থেকে ডাকাত দল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালপত্র লুট করেছে।এ সময় ডাকাতরা বাসা থেকে ১ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকাসহ মূল্যবান জিনিস পত্র লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার লুট করে,ডাকাত সদস্যদের চিনে ফেলার কারণে নির্মম হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে মারাত্মক জখম করে এবং প্রাননাশের হুমকি দেয়।গত ১৬ জুলাই দিবাগত রাত ২ টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার ছেলদিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।এ সময় তাদের বাধা দিলে বাড়িঘরে ভাংচুর লুটপাটসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কয়েকজনকে মারাত্মক ভাবে জখম করে,এতে কয়েকজন আহত হয়।তাদের ডাকচিৎকারে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসলে সাহিদ নামের একজন ডাকাতকে ধরে পুলিশে দেয় স্থানীয় জনতা। এই ঘটনায় সাহিদ ডাকাতের তথ্যে চারজন ডাকাতের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে কাপাসিয়া থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।সন্ত্রাসী ও ডাকাত দলের সদস্যদের বিচারের দাবিতে (২০ জুলাই)দুপুরে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়ি সংলগ্নে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাহিনুর ও তাঁর পরিবারের লোকজন।তাঁরা লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে বলেন গত ১৬ জুলাই দিবাগত রাত অনুমান ২ টার দিকে একদল ডাকাত সদস্য আমাদের বাড়িতে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে ও নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটপাট করে এবং আমরা ডাকাত সদস্যদের চিনে ফেলায় আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারাত্মক ভাবে আঘাত করে,এবং সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।তাঁরা আরো বলেন,ডাকাতরা পূর্বেও আমাদের বাড়িতে ডাকাতি করে।উল্লেখ ডাকাত সাহিদ,উকিল ওরেফে ফরিদ, ছালমান,জাহাঙ্গীর তাদের নামে থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে,ডাকাতরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমাদের বাড়িতে ডাকাতি করে।এদের মধ্যে সাহিদ নামে এক ডাকাতকে এলাবাসী ধরে পুলিশে সোপর্দ করে, ডাকাতি ও বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িত বাকি অপরাধীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচারের জন্য জোর দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।ঘর থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা এবং স্বর্ণালংকার দ্রুত উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।এই ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।তারা সরকার ও প্রশাসনের কাছে জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন এবং অপরাধীদের বিচারের দাবি জানান।

























