০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“কাঠের আগুনে ইট, ধ্বংসের মুখে প্রকৃতি: সন্দ্বীপে অবৈধ ভাটায় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ”

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৮ Time View

মোঃ শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিবেদকঃ পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে ইট উৎপাদনের অভিযোগে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় একটি ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদ্ধতিতে ইট পোড়ানোর দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার মগধরা ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা। অভিযানে ‘মেসার্স বিবিএস ব্রিকস’ নামক ইটভাটাকে অবৈধভাবে কাঠ ব্যবহার করে ইট পোড়ানোর দায়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৬ ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জ্বালানি ব্যবহার করে ইট উৎপাদনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি নজরদারিতে ছিল। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত ইটভাটা বায়ুদূষণ, বৃক্ষনিধন ও জলবায়ু ভারসাম্যহীনতার বড় কারণ হয়ে উঠছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা কিংবা ক্ষতিকর জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ নেই। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল এবং বাংলাদেশ আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন। সংশ্লিষ্টদের পরিবেশবিধি মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে আরও কঠোর শাস্তির ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

“কাঠের আগুনে ইট, ধ্বংসের মুখে প্রকৃতি: সন্দ্বীপে অবৈধ ভাটায় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ”

Update Time : ০৫:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিবেদকঃ পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে ইট উৎপাদনের অভিযোগে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় একটি ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদ্ধতিতে ইট পোড়ানোর দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার মগধরা ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা। অভিযানে ‘মেসার্স বিবিএস ব্রিকস’ নামক ইটভাটাকে অবৈধভাবে কাঠ ব্যবহার করে ইট পোড়ানোর দায়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৬ ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জ্বালানি ব্যবহার করে ইট উৎপাদনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি নজরদারিতে ছিল। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত ইটভাটা বায়ুদূষণ, বৃক্ষনিধন ও জলবায়ু ভারসাম্যহীনতার বড় কারণ হয়ে উঠছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা কিংবা ক্ষতিকর জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ নেই। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল এবং বাংলাদেশ আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন। সংশ্লিষ্টদের পরিবেশবিধি মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে আরও কঠোর শাস্তির ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন।