১১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনায় ১৯-২১মে দেশব্যাপী ভূমিসেবা মেলা২০২৬

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / ৬৭ Time View

 মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যপী আগামী ১৯-২১মে তিনদিন ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ আয়োজিত হবে। সে উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে আজ ১৭ই মে রবিবার অত্র কার্যালয়ে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর সার্বিক বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি। এছাড়াও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) জন কেনেডি জাম্বিল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, ভূমি সংক্রান্ত সেবাসমূহ অটোমেশনের মাধ্যমে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। তিন দিনব্যাপী এ মেলায় ময়মনসিংহ বিভাগের আওতাধীন চারটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে অথবা দৃশ্যমান স্থানে সেবা প্রার্থীদের সহযোগিতার জন্য স্টল স্থাপন করা হবে। ভূমিসেবা সহজীকরণে ই-নামজারি, অনলাইনে ডিসিআর ও খতিয়ান প্রাপ্তি ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, মৌজা ম্যাপ বা নকশার আবেদন, মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তি, অর্পিত/পরিত্যাক্ত সম্পত্তি ও সায়রাতমহাল লিজ ইত্যাদি সেবা পাওয়া যাবে ‘ভূমি আমার ঠিকানা’ বুকলেট হতে। এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বুকলেট যা ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়াও ভূমি সেবা বিষয়ক হট লাইন নাম্বার ১৬১২২ এ কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ভূমিসেবায় অটোমেশনের ফলে মধ্যস্বত্বভোগী দালালদের দৌরাত্ম হ্রাস পাবে এবং সাধারণ জনগণ ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র (এলএসএফসি) ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে পারবে। জনগণ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ব্যতীত তাদের কাঙ্ক্ষিত ভূমি সেবা পায়, সে লক্ষ্যেই ‘জনবান্ধব ভূমিসেবা অটোমেশন’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং এর বহুল প্রচারের মাধ্যমে সেবাকে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনায় ১৯-২১মে দেশব্যাপী ভূমিসেবা মেলা২০২৬

Update Time : ০৬:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

 মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যপী আগামী ১৯-২১মে তিনদিন ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ আয়োজিত হবে। সে উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে আজ ১৭ই মে রবিবার অত্র কার্যালয়ে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর সার্বিক বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি। এছাড়াও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) জন কেনেডি জাম্বিল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, ভূমি সংক্রান্ত সেবাসমূহ অটোমেশনের মাধ্যমে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। তিন দিনব্যাপী এ মেলায় ময়মনসিংহ বিভাগের আওতাধীন চারটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে অথবা দৃশ্যমান স্থানে সেবা প্রার্থীদের সহযোগিতার জন্য স্টল স্থাপন করা হবে। ভূমিসেবা সহজীকরণে ই-নামজারি, অনলাইনে ডিসিআর ও খতিয়ান প্রাপ্তি ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, মৌজা ম্যাপ বা নকশার আবেদন, মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তি, অর্পিত/পরিত্যাক্ত সম্পত্তি ও সায়রাতমহাল লিজ ইত্যাদি সেবা পাওয়া যাবে ‘ভূমি আমার ঠিকানা’ বুকলেট হতে। এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বুকলেট যা ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়াও ভূমি সেবা বিষয়ক হট লাইন নাম্বার ১৬১২২ এ কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ভূমিসেবায় অটোমেশনের ফলে মধ্যস্বত্বভোগী দালালদের দৌরাত্ম হ্রাস পাবে এবং সাধারণ জনগণ ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র (এলএসএফসি) ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে পারবে। জনগণ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ব্যতীত তাদের কাঙ্ক্ষিত ভূমি সেবা পায়, সে লক্ষ্যেই ‘জনবান্ধব ভূমিসেবা অটোমেশন’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং এর বহুল প্রচারের মাধ্যমে সেবাকে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।