০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র শীতে মানবতার উষ্ণতা অসহায় মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩২ Time View

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহী হাড়কাঁপানো শীতে যখন নিম্নআয়ের মানুষগুলো জীবনযুদ্ধে চরম দুর্ভোগে পড়ে, ঠিক তখনই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাকিলুর রহমান শাকিল। রাজশাহী মহানগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দড়িখরবোনা এলাকার শীতার্ত ও অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে তাঁর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। নগরীর বিসিক এলাকায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিলের ব্যবসা অফিসে আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে প্রায় ২৫০ জন অসহায় মা, বোন ও ভাইয়ের হাতে উষ্ণ শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে অনেকের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি, যা তীব্র শীতের মধ্যেও মানবতার উষ্ণ বার্তা ছড়িয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবিকা ফারজানা ববি, সমাজসেবক সরদার জুয়েল, সমাজসেবিকা সাইদা, লিপি ও সমাজসেবক ইব্রাহিম। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন আসাউদ্দল আসাদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাকিলুর রহমান শাকিল বলেন, “শীত শুধু একটি ঋতু নয়-অসহায় মানুষের জন্য এটি অনেক সময় বেঁচে থাকার কঠিন পরীক্ষা। সমাজের সামর্থ্যবান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো। আজ যাদের মুখে একটু হাসি ফুটেছে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।” তিনি আরও বলেন,“মানবিকতা কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান ও তরুণ প্রজন্ম যদি একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে দারিদ্র্য ও কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। আমি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।” অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই তীব্র শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নিছক দান নয়, বরং এটি মানবিক দায়িত্ব। ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল যে উদারতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা সমাজের সামর্থ্যবানদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। বক্তারা আরও বলেন, সমাজের সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হবে এবং মানবিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শীতবস্ত্র বিতরণেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি অসহায় মানুষের হৃদয়ে মানবতার আলো জ্বালিয়ে দেয়-যেখানে সহমর্মিতা ও ভালোবাসাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় উষ্ণতা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

তীব্র শীতে মানবতার উষ্ণতা অসহায় মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল

Update Time : ০৯:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহী হাড়কাঁপানো শীতে যখন নিম্নআয়ের মানুষগুলো জীবনযুদ্ধে চরম দুর্ভোগে পড়ে, ঠিক তখনই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাকিলুর রহমান শাকিল। রাজশাহী মহানগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দড়িখরবোনা এলাকার শীতার্ত ও অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে তাঁর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। নগরীর বিসিক এলাকায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিলের ব্যবসা অফিসে আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে প্রায় ২৫০ জন অসহায় মা, বোন ও ভাইয়ের হাতে উষ্ণ শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে অনেকের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি, যা তীব্র শীতের মধ্যেও মানবতার উষ্ণ বার্তা ছড়িয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবিকা ফারজানা ববি, সমাজসেবক সরদার জুয়েল, সমাজসেবিকা সাইদা, লিপি ও সমাজসেবক ইব্রাহিম। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন আসাউদ্দল আসাদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাকিলুর রহমান শাকিল বলেন, “শীত শুধু একটি ঋতু নয়-অসহায় মানুষের জন্য এটি অনেক সময় বেঁচে থাকার কঠিন পরীক্ষা। সমাজের সামর্থ্যবান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো। আজ যাদের মুখে একটু হাসি ফুটেছে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।” তিনি আরও বলেন,“মানবিকতা কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান ও তরুণ প্রজন্ম যদি একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে দারিদ্র্য ও কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। আমি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।” অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই তীব্র শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নিছক দান নয়, বরং এটি মানবিক দায়িত্ব। ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল যে উদারতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা সমাজের সামর্থ্যবানদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। বক্তারা আরও বলেন, সমাজের সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হবে এবং মানবিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শীতবস্ত্র বিতরণেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি অসহায় মানুষের হৃদয়ে মানবতার আলো জ্বালিয়ে দেয়-যেখানে সহমর্মিতা ও ভালোবাসাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় উষ্ণতা।