শার্শা উপজেলার বিএনপির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক , মোশারফ হত্যার,২৮ বছরেও বিচারে মুখ দেখেনি তার পরিবার।
- Update Time : ০৮:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
- / ২২৫ Time View

যশোরের, বেনাপোল পৌরসভার ভবারবেড় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোসলেম আলীর ছেলে শার্শা উপজেলা বিএনপির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও তরুণ রাজনীবিদ। মোশারফ হত্যার,২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার পাননি নিহতর পরিবার।
স্বামী সন্তানের হারানোর শোগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নিহত মোশারফ হোসেনের স্ত্রী
নিহত মোশারফ হোসেন ছিলেন যশোরের, শার্শা উপজেলার বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত) সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ৪ আগস্ট। ১৯৯৭ সালের ঢাকার রমনা থানাধীন পরীবাগ এলাকায় ভয়াবহ নির্মমতায় এ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক, মোশারফ হোসেনকে জবাই করে ও মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। যশোরের শার্শা উপজেলার ভবারবেড় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই তরুণ রাজনীবিদ মৃত্যুতে তোলপাড় হয়েছিল এলাকায়। তবে ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও তার হত্যার বিচার হয়নি। মামলার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, গ্রেফতার হয়নি কোনো খুনি।
মৃত মোসলেম আলি ছেলে নিহত মোশারফ হোসেনের স্ত্রী ১ কন্যা সন্তান ২পুত্র সন্তান মেয়ে নিপা খাতুন, ও বড় ছেলে নিপুন হোসেন, ও ছোট ছেলে দিপু হোসেন , তখন তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল, আজ প্রাপ্তবয়স্ক
নিহত মোশারফের বড় ছেলে নিপুণ হোসেন বলেন, “আমরা তখন শিশু ছিলাম, বাবার লাশ দেখে কিছুই বুঝিনি, এবং আমার এক বড়,বোনকে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী দ্বারাই হত্যা হয়, তার বয়স ছিল তখন ৫ বছর, আজ বুঝি কী হারিয়েছি। কিন্তু এতদিনেও বিচার না হওয়ায় আমরা চরম হতাশ। আমরা আমারদের বাবা ও বড় বোনের খুনিদের বিচার চাই।”
নিপুণ আরও জানান, বাবা ও বড় বোনের মৃত্যুর পর আমার মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন । আজ ২৮ বছর পরেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। “আমার মা মানসিক রোগী হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ান। আমাদের পরিবার টা একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে।”
স্থানীয়রা মনে করেন, মোশারফ হোসেন ছিলেন এলাকার প্রভাবশালী তরুণ নেতা। তার জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। দীর্ঘদিনেও কোনো বিচার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।
পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি—পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক




















