ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহরে জামায়াতের ফগার মেশিনে মশা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন
- Update Time : ১০:২৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১৬ Time View

বিশেষ সংবাদদাতাঃ — জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দীর্ঘদিনের অবহেলাকে চ্যালেঞ্জ জানাল স্থানীয় নেতৃত্ব চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক ফগার মেশিন ব্যবহার করে মশা ও ক্ষতিকর পোকামাকড় নিধন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে। বহুদিন ধরে অবহেলিত পরিবেশ, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে ক্রমবর্ধমান মশাবাহিত রোগে জনগণ নাজেহাল—এ অবস্থায় ওয়ার্ড পর্যায়ে এমন উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আজ শুক্রবার সকালে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ৩৯ নং ওয়ার্ড আমীর জনাব ওসমান গনি। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“নগরের জনস্বাস্থ্য নিয়ে যারা দায়িত্বে, তারা ঘুমিয়ে থাকলে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের কর্তব্য। জামায়াত শুধু বক্তব্য দেয় না—কাজ করে দেখায়। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই অভিযান তারই ধারাবাহিকতা।”তিনি আরও বলেন, মশার উপদ্রব শুধু নাগরিক ভোগান্তিই নয়, এটি জনজীবনের নিরাপত্তার প্রশ্ন। তাই জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—ওয়ার্ড সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল আরিফ,ওয়ার্ড কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মোজাম্মেল হক,ওয়ার্ড বিএম সেক্রেটারি আবদুর রহিম বিশ্বাস,স্থানীয় যুবনেতা মোঃ ফখরুল ইসলাম,এছাড়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও সক্রিয় কর্মীরা। আয়োজকরা জানান,ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় পর্যায়ক্রমে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শুধু একদিনের প্রদর্শনী নয়—বরং ধারাবাহিক ও নিয়মিত উদ্যোগের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা আরও দাবি করেন, সরকারি সংস্থাগুলোর ব্যর্থতায় জনগণের কষ্ট বাড়ছে, তাই নাগরিক স্বার্থ রক্ষায় তারা নিজেরাই মাঠে নেমেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন,“যেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বারবার আশ্বাস দিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ, সেখানে এমন স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। লোক দেখানো কার্যক্রম নয়—আমরা চাই নিয়মিত সেবা।”মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া ও উদাসীনতার বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি একটি স্পষ্ট বার্তা—জনগণ আর অবহেলা মেনে নেবে না, নিজেদের অধিকার ও স্বাস্থ্যসুরক্ষায় তারা এখন সচেতন ও সংগঠিত।










