১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিলিতে অবৈধভাবে ধান ও আমদানিকৃত চাল ও মশুরডাল মজুদ রাখায় ৩টি গুদাম সিলগালা

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / ৪৩৩ Time View

 হাকিমপুর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃওয়াজ কুরনী দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে অবৈধ ভাবে ধান ও ভারত থেকে আমদানিকৃত মেয়াদউর্ত্তীন চাল ও মশুরডাল মজুদ রাখার অপরাধে বন্দরের মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজ এর তিনটি গুদাম সিলগলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায়। সেই সাথে উক্ত ঘটনায় নিয়মিত মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৫ জুন) বিকেল চারটায় বন্দরের চারমাথা মোড় থেকে উপজেলা পরিষদ রোডের কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজ এর গুদামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার (অতিঃদ্বায়িত্ব) সোহেল আহম্মেদ, গুদাম কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান, এএসআই শামসুল আলম, সহ অনেকে। হাকিমপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার (অতিঃদাঃ) সোহেল আহমেদ বলেন, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আজকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে নিয়ে হাকিমপুর হিলিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুল হাকিম মন্ডলের গোডাউনে অবৈধভাবে ধান মজুদ ও মেয়াদোত্তীর্ণ আমদানিকৃত চাল ও মশুড় ডাল রাখার অপরাধে তার তিনটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে। এসময় অবৈধ ভাবে ১৯’শ ৩৩ মেঃ টন ধান। যার বৈধ কোন কাগজ দেখাতে পারেন নাই এবং মেয়াদোত্তীর্ণ চাল ২৭১ মেঃ টন ও মশুরডাল ৪৭ মেঃ টন। চাল ও মশুরডাল আমদানি করার পরে মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং পরবর্তীতে সময় বৃদ্ধির জন্য তিনি আবেদন করেন নাই। নিয়মিত মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে গুদামে অবৈধ ভাবে ধান, চাল মজুদ রাখা হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা খাদ্য বিভাগকে সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় আমদানিকৃত চাল এবং ডাল এর যে সময়সীমা আছে তার বাহিরে মজুদ করা হয়েছে এবং একই সাথে ধান এখানে মজুদ করার কথাই না সেইটা অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে। সেই কারনে আমরা আইন অনুযায়ী সীলগালা করেছি এবং নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযানগুলো নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

হিলিতে অবৈধভাবে ধান ও আমদানিকৃত চাল ও মশুরডাল মজুদ রাখায় ৩টি গুদাম সিলগালা

Update Time : ০৮:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 হাকিমপুর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃওয়াজ কুরনী দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে অবৈধ ভাবে ধান ও ভারত থেকে আমদানিকৃত মেয়াদউর্ত্তীন চাল ও মশুরডাল মজুদ রাখার অপরাধে বন্দরের মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজ এর তিনটি গুদাম সিলগলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায়। সেই সাথে উক্ত ঘটনায় নিয়মিত মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৫ জুন) বিকেল চারটায় বন্দরের চারমাথা মোড় থেকে উপজেলা পরিষদ রোডের কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজ এর গুদামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার (অতিঃদ্বায়িত্ব) সোহেল আহম্মেদ, গুদাম কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান, এএসআই শামসুল আলম, সহ অনেকে। হাকিমপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার (অতিঃদাঃ) সোহেল আহমেদ বলেন, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আজকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে নিয়ে হাকিমপুর হিলিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাইক্রো গ্রীন এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুল হাকিম মন্ডলের গোডাউনে অবৈধভাবে ধান মজুদ ও মেয়াদোত্তীর্ণ আমদানিকৃত চাল ও মশুড় ডাল রাখার অপরাধে তার তিনটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে। এসময় অবৈধ ভাবে ১৯’শ ৩৩ মেঃ টন ধান। যার বৈধ কোন কাগজ দেখাতে পারেন নাই এবং মেয়াদোত্তীর্ণ চাল ২৭১ মেঃ টন ও মশুরডাল ৪৭ মেঃ টন। চাল ও মশুরডাল আমদানি করার পরে মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং পরবর্তীতে সময় বৃদ্ধির জন্য তিনি আবেদন করেন নাই। নিয়মিত মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে গুদামে অবৈধ ভাবে ধান, চাল মজুদ রাখা হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা খাদ্য বিভাগকে সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় আমদানিকৃত চাল এবং ডাল এর যে সময়সীমা আছে তার বাহিরে মজুদ করা হয়েছে এবং একই সাথে ধান এখানে মজুদ করার কথাই না সেইটা অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে। সেই কারনে আমরা আইন অনুযায়ী সীলগালা করেছি এবং নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযানগুলো নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি