০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার:পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৫৬১ Time View

 

উজ্জ্বল রায়,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:-

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়া থেকে লাবনী আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে পরিবারের লোকজন নিজ শয়নকক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায়। পরে খানসামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত লাবনী আক্তার নীলফামারীর সদর থানার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের মোস্তাকিমের মেয়ে এবং ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দুবলিয়া দোলাপাড়া এলাকার ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী। তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় প্রায় পাঁচ বছর আগে।তিনি এক সন্তানের জননী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ দিন ধরে লাবনী আক্তার নিখোঁজ ছিলেন। এরপর গত ১৩ জুলাই রবিবার তার নিজ ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে আপোষ মীমাংসা হওয়ার পর তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। আর এর পরদিনই এমন ঘটনা ঘটলো।

নিহতের স্বামী ছাইদুল ইসলাম জানান, এর আগে চারবার লাবনী ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি চলে গিয়েছিলেন।তিনি নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে চাকরি করেন এবং ঘটনার দিন সকালেই কর্মস্থলে চলে গিয়েছিলেন।
ছাইদুল বলেন, “সকালে কথা হয় তার সঙ্গে, সে কেন এমন কাজ করলো বুঝতে পারছি না।”

তবে নিহতের পরিবার দাবি করছে, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খানসামায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার:পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

Update Time : ০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

উজ্জ্বল রায়,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:-

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়া থেকে লাবনী আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে পরিবারের লোকজন নিজ শয়নকক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায়। পরে খানসামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত লাবনী আক্তার নীলফামারীর সদর থানার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের মোস্তাকিমের মেয়ে এবং ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দুবলিয়া দোলাপাড়া এলাকার ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী। তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় প্রায় পাঁচ বছর আগে।তিনি এক সন্তানের জননী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ দিন ধরে লাবনী আক্তার নিখোঁজ ছিলেন। এরপর গত ১৩ জুলাই রবিবার তার নিজ ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে আপোষ মীমাংসা হওয়ার পর তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। আর এর পরদিনই এমন ঘটনা ঘটলো।

নিহতের স্বামী ছাইদুল ইসলাম জানান, এর আগে চারবার লাবনী ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি চলে গিয়েছিলেন।তিনি নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে চাকরি করেন এবং ঘটনার দিন সকালেই কর্মস্থলে চলে গিয়েছিলেন।
ছাইদুল বলেন, “সকালে কথা হয় তার সঙ্গে, সে কেন এমন কাজ করলো বুঝতে পারছি না।”

তবে নিহতের পরিবার দাবি করছে, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে