১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে নির্বাচন ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে-ডা. শাহাদাত হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৭ Time View

বিশেষ সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পুরো দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচনকে ঘিরে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। যারা অতীতে ক্ষমতায় এসে ভুল পথে রাজনীতি করেছে, তারা জনগণের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই ভোট কোনোভাবেই অপচয় করা উচিত নয়। ভোট দেওয়ার আগে জনগণকে সচেতনভাবে ভাবতে হবে—কাকে ভোট দিলে দেশ পরিচালনায় সক্ষম সরকার গঠিত হবে এবং যে নেতৃত্ব জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নের অংশীদার হতে পারবে। তিনি শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পশ্চিম বাকলিয়া ডিসি রোডস্থ মিয়ার বাপের মসজিদের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চকবাজার থানা যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চকবাজার থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. সেলিমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহেল ও সাদ্দামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ দশক ধরে রাজনীতিতে যুক্ত থেকেও আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা গ্রহণ করেননি। একজন ত্যাগী ও সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হলে তিনি এলাকার মানুষের ন্যায্য দাবি ও অধিকার সংসদে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে ভোটের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, তিনি অতীতে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে মেয়র হিসেবে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাকলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বছরের পর বছর ধরে চলমান জলাবদ্ধতা ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ইনশাল্লাহ সামনে আরও কমবে। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট কাজের মধ্যে রয়েছে খাল ও নালা সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম নগরে চার লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কম দামে পাচ্ছে। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও পুনর্বাসন ভাতাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা প্রত্যেক প্রার্থীর নৈতিক দায়িত্ব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিএনপি সবসময় আইন ও বিধি মেনে রাজনীতি করে। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতে হবে এবং কোথাও যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মহসিন, আনেয়ার হোসেন লিপু, বিএনপি নেতা হাজী ওমর ফারুক, আলহাজ্ব নাছির মিয়া, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, এম এ হামিদ, গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, নবাব খাঁন, রমজু মিয়া, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, রেজিয়া বেগম মুন্নি, কামরুনেচ্ছা, আবদুর রহিম, মো. আনাস, শিহাব খালেদ মুন্না প্রমুখ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে নির্বাচন ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে-ডা. শাহাদাত হোসেন

Update Time : ১০:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিশেষ সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পুরো দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচনকে ঘিরে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। যারা অতীতে ক্ষমতায় এসে ভুল পথে রাজনীতি করেছে, তারা জনগণের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই ভোট কোনোভাবেই অপচয় করা উচিত নয়। ভোট দেওয়ার আগে জনগণকে সচেতনভাবে ভাবতে হবে—কাকে ভোট দিলে দেশ পরিচালনায় সক্ষম সরকার গঠিত হবে এবং যে নেতৃত্ব জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নের অংশীদার হতে পারবে। তিনি শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পশ্চিম বাকলিয়া ডিসি রোডস্থ মিয়ার বাপের মসজিদের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চকবাজার থানা যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চকবাজার থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. সেলিমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহেল ও সাদ্দামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ দশক ধরে রাজনীতিতে যুক্ত থেকেও আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা গ্রহণ করেননি। একজন ত্যাগী ও সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হলে তিনি এলাকার মানুষের ন্যায্য দাবি ও অধিকার সংসদে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে ভোটের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, তিনি অতীতে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে মেয়র হিসেবে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাকলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বছরের পর বছর ধরে চলমান জলাবদ্ধতা ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ইনশাল্লাহ সামনে আরও কমবে। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট কাজের মধ্যে রয়েছে খাল ও নালা সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম নগরে চার লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কম দামে পাচ্ছে। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও পুনর্বাসন ভাতাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা প্রত্যেক প্রার্থীর নৈতিক দায়িত্ব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিএনপি সবসময় আইন ও বিধি মেনে রাজনীতি করে। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতে হবে এবং কোথাও যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মহসিন, আনেয়ার হোসেন লিপু, বিএনপি নেতা হাজী ওমর ফারুক, আলহাজ্ব নাছির মিয়া, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, এম এ হামিদ, গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, নবাব খাঁন, রমজু মিয়া, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, রেজিয়া বেগম মুন্নি, কামরুনেচ্ছা, আবদুর রহিম, মো. আনাস, শিহাব খালেদ মুন্না প্রমুখ।