০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

টাইফয়েড প্রতিরোধে বোয়ালখালী: জনস্বাস্থ্যের নতুন ইতিহাস,গুজব ভেঙে সাফল্যের জয়যাত্রা,

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৪৭ Time View

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিভিল সার্জন: নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা,চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জাতীয় টাইফয়েড বিরোধী টিকাদান ক্যাম্পেইন এক অভূতপূর্ব সফলতার ইতিহাস রচনা করেছে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের লক্ষ্য রেখে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে নির্ধারিত ৭২,৬৪৩ শিশুর মধ্যে ৯৯.৮৬ শতাংশকে টিকা প্রদান—নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য অঙ্গনে নতুন মানদণ্ড। যেখানে গুজব, ভীতি ও বিভ্রান্তি টিকাদানের সবচেয়ে বড় বাধা- সেখানে সচেতনতা, নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের শক্তিতে বোয়ালখালী প্রমাণ করেছে—ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীরের দূরদর্শী তত্ত্বাবধান এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। তার পরিকল্পনা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় তদারকি, এবং প্রতিটি ধাপে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা—পুরো ক্যাম্পেইনকে জাতীয় সাফল্যের মডেলে পরিণত করেছে। জনস্বাস্থ্যের এই অভিযানে তিনি হয়ে উঠেছেন—”নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা”। এই সাফল্যের পেছনে ছিল উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বিশেষ করে—উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,পৌর প্রশাসক ও এসিল্যান্ড,মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও তার টিম,ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি,সাংবাদিক সমাজ ,অভিভাবক,স্বাস্থ্যকর্মী, সুপারভাইজার, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিডি ক্লিনসহ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী—সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ পুরো অভিযানকে রূপ দিয়েছে ঐক্যের গর্বিত প্রতীক হিসেবে।বিশেষ প্রশংসার দাবিদার—ডা. মাসুদ (রোগ নিয়ন্ত্রণ), ডা. তোফায়েল (আইসিটি), MT EPI জিহাদ, স্ট্যাটিস্টিশিয়ান সুজন, ইনচার্জ পরিতোষ বাবু—যাদের নিরলস পরিশ্রম মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সাহায্য করেছে। ক্যাম্পেইনের প্রতিটি ধাপে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিববৃন্দ,ডিজি হেলথের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ,ইপিআই এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা,ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. রাব্বি,ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ,WHO প্রতিনিধি ডা. জাহিদ,UNICEF প্রতিনিধি ডা. সরোয়ার। তাদের সমন্বিত পরিকল্পনা এই ক্যাম্পেইনকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির একটি সফল মডেলে রূপ দিয়েছে। সমাজে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব, অপপ্রচার ও দ্বিধা—ক্যাম্পেইনের শুরুতে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু বোয়ালখালী দেখিয়েছে,“সচেতনতা, ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে গুজবের দেয়াল ভেদ করাই যায়।”শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমাধ্যম একসাথে গুজব ভাঙার লড়াই লড়ে জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছেন। বোয়ালখালীর সাফল্য শুধু একটি উপজেলার অর্জন নয়—এটি বাংলাদেশের সমগ্র জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের অনন্য অধ্যায়।টাইফয়েড প্রতিরোধে এমন সাফল্য প্রমাণ করে—সঠিক প্রস্তুতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও মানুষের অংশগ্রহণ থাকলে যেকোনো জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি জাতীয় গর্বে পরিণত হতে পারে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

টাইফয়েড প্রতিরোধে বোয়ালখালী: জনস্বাস্থ্যের নতুন ইতিহাস,গুজব ভেঙে সাফল্যের জয়যাত্রা,

Update Time : ০৪:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিভিল সার্জন: নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা,চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জাতীয় টাইফয়েড বিরোধী টিকাদান ক্যাম্পেইন এক অভূতপূর্ব সফলতার ইতিহাস রচনা করেছে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের লক্ষ্য রেখে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে নির্ধারিত ৭২,৬৪৩ শিশুর মধ্যে ৯৯.৮৬ শতাংশকে টিকা প্রদান—নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য অঙ্গনে নতুন মানদণ্ড। যেখানে গুজব, ভীতি ও বিভ্রান্তি টিকাদানের সবচেয়ে বড় বাধা- সেখানে সচেতনতা, নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের শক্তিতে বোয়ালখালী প্রমাণ করেছে—ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীরের দূরদর্শী তত্ত্বাবধান এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। তার পরিকল্পনা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় তদারকি, এবং প্রতিটি ধাপে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা—পুরো ক্যাম্পেইনকে জাতীয় সাফল্যের মডেলে পরিণত করেছে। জনস্বাস্থ্যের এই অভিযানে তিনি হয়ে উঠেছেন—”নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা”। এই সাফল্যের পেছনে ছিল উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বিশেষ করে—উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,পৌর প্রশাসক ও এসিল্যান্ড,মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও তার টিম,ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি,সাংবাদিক সমাজ ,অভিভাবক,স্বাস্থ্যকর্মী, সুপারভাইজার, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিডি ক্লিনসহ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী—সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ পুরো অভিযানকে রূপ দিয়েছে ঐক্যের গর্বিত প্রতীক হিসেবে।বিশেষ প্রশংসার দাবিদার—ডা. মাসুদ (রোগ নিয়ন্ত্রণ), ডা. তোফায়েল (আইসিটি), MT EPI জিহাদ, স্ট্যাটিস্টিশিয়ান সুজন, ইনচার্জ পরিতোষ বাবু—যাদের নিরলস পরিশ্রম মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সাহায্য করেছে। ক্যাম্পেইনের প্রতিটি ধাপে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিববৃন্দ,ডিজি হেলথের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ,ইপিআই এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা,ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. রাব্বি,ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ,WHO প্রতিনিধি ডা. জাহিদ,UNICEF প্রতিনিধি ডা. সরোয়ার। তাদের সমন্বিত পরিকল্পনা এই ক্যাম্পেইনকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির একটি সফল মডেলে রূপ দিয়েছে। সমাজে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব, অপপ্রচার ও দ্বিধা—ক্যাম্পেইনের শুরুতে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু বোয়ালখালী দেখিয়েছে,“সচেতনতা, ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে গুজবের দেয়াল ভেদ করাই যায়।”শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমাধ্যম একসাথে গুজব ভাঙার লড়াই লড়ে জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছেন। বোয়ালখালীর সাফল্য শুধু একটি উপজেলার অর্জন নয়—এটি বাংলাদেশের সমগ্র জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের অনন্য অধ্যায়।টাইফয়েড প্রতিরোধে এমন সাফল্য প্রমাণ করে—সঠিক প্রস্তুতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও মানুষের অংশগ্রহণ থাকলে যেকোনো জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি জাতীয় গর্বে পরিণত হতে পারে।