০১:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইপিজেড থানায় গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক ভিত্তি জোরদার

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৬ Time View

মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতাঃ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন ইপিজেড থানা আংশিক কমিটিকে আগামী এক (১) বছরের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেছে। এই অনুমোদনের মাধ্যমে ইপিজেড এলাকায় সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গণঅধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে জারিকৃত এক সাংগঠনিক অনুমোদনপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। অনুমোদনপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের গঠনতন্ত্র, আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে ইপিজেড থানায় গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য নিরসন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলতেই এই কমিটি কাজ করবে। অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মোস্তাকিম মোল্লা। সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ হানিফ গাজী, মোঃ বসির উদ্দিন ও মাসুদ রানা—যারা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শামীম হোসেন। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাহিদ জুবায়েদ, মোঃ আরিফ ও জামাল। সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুদৃঢ় ও তৃণমূলমুখী করতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আজমিন মুন্সীকে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। গণঅধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ অনুমোদনপত্রে বলেন, ইপিজেড থানা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও শ্রমঘন এলাকা হওয়ায় এখানকার শ্রমজীবী মানুষ, খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ ও বঞ্চিত শ্রেণির অধিকার রক্ষায় সংগঠনের ভূমিকা আরও জোরালো হওয়া জরুরি। নবগঠিত এই কমিটি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের ভিত্তি শক্তিশালী করা, সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তা তুলে ধরা এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে ইপিজেড থানা গণঅধিকার পরিষদের একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিটে পরিণত হবে। এই কমিটির কার্যক্রম ভবিষ্যতে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা প্রত্যাশা করেন

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ইপিজেড থানায় গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক ভিত্তি জোরদার

Update Time : ০৮:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতাঃ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন ইপিজেড থানা আংশিক কমিটিকে আগামী এক (১) বছরের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেছে। এই অনুমোদনের মাধ্যমে ইপিজেড এলাকায় সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গণঅধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে জারিকৃত এক সাংগঠনিক অনুমোদনপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। অনুমোদনপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের গঠনতন্ত্র, আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে ইপিজেড থানায় গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য নিরসন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলতেই এই কমিটি কাজ করবে। অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মোস্তাকিম মোল্লা। সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ হানিফ গাজী, মোঃ বসির উদ্দিন ও মাসুদ রানা—যারা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শামীম হোসেন। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাহিদ জুবায়েদ, মোঃ আরিফ ও জামাল। সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুদৃঢ় ও তৃণমূলমুখী করতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আজমিন মুন্সীকে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। গণঅধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ অনুমোদনপত্রে বলেন, ইপিজেড থানা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও শ্রমঘন এলাকা হওয়ায় এখানকার শ্রমজীবী মানুষ, খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ ও বঞ্চিত শ্রেণির অধিকার রক্ষায় সংগঠনের ভূমিকা আরও জোরালো হওয়া জরুরি। নবগঠিত এই কমিটি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের ভিত্তি শক্তিশালী করা, সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তা তুলে ধরা এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে ইপিজেড থানা গণঅধিকার পরিষদের একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিটে পরিণত হবে। এই কমিটির কার্যক্রম ভবিষ্যতে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা প্রত্যাশা করেন