০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীর শেখ ফরিদ ১৮ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে  এখন সহকারী শিক্ষক!

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৭৬ Time View

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা  প্রতিনিধি:গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ডেফলাই গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে ২০ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ফরিদ।  পিতা শহিদুল্লাহ  এবং মাতা ফাতেমা ছয়  সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়।  শেখ ফরিদ এর আরও চার ভাই এক বোন রয়েছেন।  তার ছোট ভাই ঝিনাইগাতী দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক,  ছোট বোন সালচুরা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক। তার  এক ভাই সৌদি আরব প্রবাসি।  এক ভাই মিরপুর কওমি মাদ্রাসার  শিক্ষার্থী।  সবার ছোট ভাই ডেফলাই আল-হেরা নুরানি ও হাফেজি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। ছোট থেকেই শেখ ফরিদ অনেক মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি ঝিনাইগাতী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০ এবং  এইচএসসি ২০১৪ সালে আলহাজ্ব শফিউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩.৩৪ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এর তিনি ২০১৯ সালে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে  গণিত বিষয়ে অনার্স ৩.৩৪  এবং ২০২০ সালে স্নাতকোত্তর ৩.৫৮ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। শেরপুর ফরিদ পড়াশোনার পাশাপাশি সিটি গ্রুপ সেলস অফিসার হিসেবে মেলান্দ জামালপুর প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করতেন।  তিনিই চাকুরীর পাশাপাশি পড়াশোনা করতেন। এরপর তাকে আর পিছনে ঘুরতে হয়নি অবশেষে সফলতার দেখা পেয়েছেন। তিনি ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সহকারী গণিত শিক্ষক হিসেবে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।  শেখ ফরিদ  এর বর্তমান কর্মসংস্থান  সোনাপুর সলিম স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর।  দিন রাত অকাতরে পরিশ্রম করে  অনেক সংগ্রাম করে   আজ তিনি গন্তব্যে পৌঁছেছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শেখ ফরিদ  বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে কাজ করেন। এবং ২০২৪ সালে ভয়াবহ বন্যায় অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীর শেখ ফরিদ ১৮ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে  এখন সহকারী শিক্ষক!

Update Time : ০৬:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা  প্রতিনিধি:গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ডেফলাই গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে ২০ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ফরিদ।  পিতা শহিদুল্লাহ  এবং মাতা ফাতেমা ছয়  সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়।  শেখ ফরিদ এর আরও চার ভাই এক বোন রয়েছেন।  তার ছোট ভাই ঝিনাইগাতী দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক,  ছোট বোন সালচুরা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক। তার  এক ভাই সৌদি আরব প্রবাসি।  এক ভাই মিরপুর কওমি মাদ্রাসার  শিক্ষার্থী।  সবার ছোট ভাই ডেফলাই আল-হেরা নুরানি ও হাফেজি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। ছোট থেকেই শেখ ফরিদ অনেক মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি ঝিনাইগাতী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০ এবং  এইচএসসি ২০১৪ সালে আলহাজ্ব শফিউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩.৩৪ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এর তিনি ২০১৯ সালে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে  গণিত বিষয়ে অনার্স ৩.৩৪  এবং ২০২০ সালে স্নাতকোত্তর ৩.৫৮ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। শেরপুর ফরিদ পড়াশোনার পাশাপাশি সিটি গ্রুপ সেলস অফিসার হিসেবে মেলান্দ জামালপুর প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করতেন।  তিনিই চাকুরীর পাশাপাশি পড়াশোনা করতেন। এরপর তাকে আর পিছনে ঘুরতে হয়নি অবশেষে সফলতার দেখা পেয়েছেন। তিনি ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সহকারী গণিত শিক্ষক হিসেবে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।  শেখ ফরিদ  এর বর্তমান কর্মসংস্থান  সোনাপুর সলিম স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর।  দিন রাত অকাতরে পরিশ্রম করে  অনেক সংগ্রাম করে   আজ তিনি গন্তব্যে পৌঁছেছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শেখ ফরিদ  বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে কাজ করেন। এবং ২০২৪ সালে ভয়াবহ বন্যায় অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।