০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

“দায়িত্বশীল কর্মীবাহিনী ছাড়া সমাজ পরিবর্তনের সংগ্রাম সম্ভব নয়” — সভাপতি মিজান খান

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ৪৯৫ Time View

 নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রামঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইপিজেড থানার আওতাধীন ৩৯ নম্বর দক্ষিণ এমারত ওয়ার্ড এবং সাংগঠনিক দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও দৃঢ়সংগঠিত টিএস (Training & Study) কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত থেকে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড জামায়াতের সম্মানিত আমীর জনাব ওসমান গনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা কর্মপরিষদের সক্রিয় সদস্য জনাব মোঃ মুজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দারুস সালাম ওয়ার্ড জামায়াতের প্রজ্ঞাবান সভাপতি মোঃ মিজান খান। অদ্বিতীয় সাংগঠনিক দৃঢ়তা গড়ার আহ্বান প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসমান গনি বলেন,> “সাংগঠনিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হলে আদর্শিক দৃঢ়তা ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আল্লাহর সৈনিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেক কর্মীর মধ্যে যেন নেতৃত্ব ও তাকওয়ার সমন্বয় ঘটে।” সত্য ও আদর্শে সুসংগঠিত হওয়ার তাগিদ বিশেষ অতিথি মোঃ মুজাম্মেল হক বলেন, “সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হলে চিন্তা-চেতনা ও কর্মপদ্ধতিতে সুসংগঠিত হওয়া জরুরি। আত্মশুদ্ধি, দায়িত্বশীলতা ও দলগত ঐক্যের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব।” “টিএস প্রোগ্রামের মতো কার্যক্রম কর্মীদের মনন গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।” সভাপতির বলিষ্ঠ ভূমিকা ও দিকনির্দেশনায় ,,সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মিজান খান বলেন, “দারুস সালাম ওয়ার্ড সবসময়ই দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। আজকের এই প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন প্রজন্মের কর্মীদের চিন্তা-চেতনায় দৃঢ়তা, আদর্শিক শুদ্ধতা এবং কাফেলার প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে চাই।” “দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে কর্মীই হচ্ছে সংগঠনের চালিকাশক্তি। তাদের প্রস্তুত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রোগ্রামে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। তাঁরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং আগামীর সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সকল বক্তার বক্তব্যে একটাই বার্তা— আদর্শিক ও সাংগঠনিক দৃঢ়তা অর্জন ছাড়া জাহেলিয়াতের মোকাবেলা সম্ভব নয়। উপস্থিত কর্মীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে প্রোগ্রামটি ছিল অত্যন্ত সফল, শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং শিক্ষণীয়। অনুষ্ঠানটি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

“দায়িত্বশীল কর্মীবাহিনী ছাড়া সমাজ পরিবর্তনের সংগ্রাম সম্ভব নয়” — সভাপতি মিজান খান

Update Time : ০৯:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রামঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইপিজেড থানার আওতাধীন ৩৯ নম্বর দক্ষিণ এমারত ওয়ার্ড এবং সাংগঠনিক দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও দৃঢ়সংগঠিত টিএস (Training & Study) কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত থেকে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড জামায়াতের সম্মানিত আমীর জনাব ওসমান গনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা কর্মপরিষদের সক্রিয় সদস্য জনাব মোঃ মুজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দারুস সালাম ওয়ার্ড জামায়াতের প্রজ্ঞাবান সভাপতি মোঃ মিজান খান। অদ্বিতীয় সাংগঠনিক দৃঢ়তা গড়ার আহ্বান প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসমান গনি বলেন,> “সাংগঠনিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হলে আদর্শিক দৃঢ়তা ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আল্লাহর সৈনিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেক কর্মীর মধ্যে যেন নেতৃত্ব ও তাকওয়ার সমন্বয় ঘটে।” সত্য ও আদর্শে সুসংগঠিত হওয়ার তাগিদ বিশেষ অতিথি মোঃ মুজাম্মেল হক বলেন, “সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হলে চিন্তা-চেতনা ও কর্মপদ্ধতিতে সুসংগঠিত হওয়া জরুরি। আত্মশুদ্ধি, দায়িত্বশীলতা ও দলগত ঐক্যের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব।” “টিএস প্রোগ্রামের মতো কার্যক্রম কর্মীদের মনন গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।” সভাপতির বলিষ্ঠ ভূমিকা ও দিকনির্দেশনায় ,,সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মিজান খান বলেন, “দারুস সালাম ওয়ার্ড সবসময়ই দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। আজকের এই প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন প্রজন্মের কর্মীদের চিন্তা-চেতনায় দৃঢ়তা, আদর্শিক শুদ্ধতা এবং কাফেলার প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে চাই।” “দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে কর্মীই হচ্ছে সংগঠনের চালিকাশক্তি। তাদের প্রস্তুত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রোগ্রামে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। তাঁরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং আগামীর সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সকল বক্তার বক্তব্যে একটাই বার্তা— আদর্শিক ও সাংগঠনিক দৃঢ়তা অর্জন ছাড়া জাহেলিয়াতের মোকাবেলা সম্ভব নয়। উপস্থিত কর্মীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে প্রোগ্রামটি ছিল অত্যন্ত সফল, শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং শিক্ষণীয়। অনুষ্ঠানটি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।