০১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b
আনোয়ারায় র্যাব-৭-এর অভিযানে ৪৩ হাজার ৭৭০ ইয়াবাসহ দুইজন আটক, জব্দ সিএনজি
মোঃ শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিবেদক,
- Update Time : ০৮:৫৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৮৭ Time View

চট্টগ্রাম মাদকের ভয়াল বিস্তার রোধে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম। মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও পরিবহন বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বড় ধরনের ইয়াবার চালান উদ্ধার করেছে সংস্থাটি। অভিযানে প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ৪৩ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে ইয়াবার চালান চট্টগ্রাম শহরের দিকে নেওয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানাধীন কালা বিবি দিঘীর মোড় এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম মার্কেটের সামনে পাকা সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি শুরু করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে সবুজ রঙের একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিকশা চেকপোস্টের সামনে এলে সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিএনজিতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করে র্যাব। আটক ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজারের উখিয়া থানার মহুরীপাড়া এলাকার ফাইজুল হকের ছেলে শফি আলম (৩৬) এবং কক্সবাজার সদর থানার নয়াপাড়া এলাকার মৃত আবদুল মজিদের ছেলে আবদুর রহিম (৪৭)। পরে সিএনজি অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরের এক পাশে বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ২২টি বান্ডেল উদ্ধার করা হয়। এসব বান্ডেল থেকে সর্বমোট ৪৩ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। র্যাব-৭-এর তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। র্যাব-৭ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের সরবরাহ, পরিবহন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। র্যাব-৭-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের সরবরাহ, পরিবহন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৭ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে পরিচালিত হবে।”
Tag :




















