০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের জোরালো আহ্বান— জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত*

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫৮ Time View

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা, ইতিহাস এবং সাংবাদিকতা পেশার শৃঙ্খলা অটুট রাখতে সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেন প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যসচিব ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, এবং শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ও ইজতিহাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। শনিবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দুই সম্পাদক বলেন—চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শুধু একটি ভবন নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার অবিচ্ছেদ্য ঠিকানা; নিরাপদ ও পেশাদার কর্মপরিবেশ রক্ষায় সবার অবদান প্রয়োজন। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কার সংকট ও নতুন শুরু,বিবৃতিতে বলা হয়, গত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কালে কিছু সংখ্যক সাংবাদিকের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ, ক্ষমতাসীনদের চাটুকারিতা এবং ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণবিপ্লবের সময় উসকানিমূলক ভূমিকার কারণে প্রেস ক্লাব ক্ষুব্ধ জনতার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া দেশপ্রেমিক সাংবাদিক ও সম্পাদকদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পায়—যা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেবা পুনরায় চালু, সদস্যদের নিয়মিত আগমনের আহ্বান,গত বছরের নভেম্বর থেকে সরকারি তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর সদস্য ও সাংবাদিকরা নিয়মিত ক্লাবে এসে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করছেন।অতি শিগগিরই ক্লাবে চিকিৎসা সেবাও যুক্ত করা হবে, যা পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দুই সম্পাদক বলেন—“প্রেস ক্লাবের মান-মর্যাদা পুনর্গঠনে নিয়মিত উপস্থিতি ও সক্রিয়তার বিকল্প নেই। সদস্যরা প্রাপ্য সেবা গ্রহণ করবেন, মতবিনিময় করবেন, পেশাগত উন্নয়ন ও নীতিনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তুলবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” বিবৃতিতে রাষ্ট্রের সংবিধানের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়—সভা-সমাবেশে যোগদান এবং সংগঠন করার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তবে জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও জনস্বার্থ রক্ষার বিষয়ে যুক্তিযুক্ত সীমাবদ্ধতা সকলকে মেনে চলতে হবে। দুই সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেন—“চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শান্তিপ্রিয়, নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকদের ঠিকানা। এখানে ফ্যাসিবাদী, উগ্র বা জঙ্গি মনোভাবাপন্ন কোনো ব্যক্তি বা সাংবাদিকের স্থান নেই।” তারা সবাইকে বিভ্রান্তিকর পরামর্শ বর্জন করে প্রেস ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রমে দায়িত্বশীলভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। ঐক্যই শক্তি—প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষাই প্রধান লক্ষ্য,বিবৃতির শেষাংশে জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন—“চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা পুনরুদ্ধার,পেশাদারিত্বের মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিক সমাজে সত্যিকারের ঐক্য প্রতিষ্ঠায় এখনই সময়। সকল সদস্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে—স্বার্থ, দলাদলি বা ব্যক্তিগত বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে প্রেস ক্লাবকে সাংবাদিকতার আদর্শ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের জোরালো আহ্বান— জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত*

Update Time : ০৭:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা, ইতিহাস এবং সাংবাদিকতা পেশার শৃঙ্খলা অটুট রাখতে সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেন প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যসচিব ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, এবং শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ও ইজতিহাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। শনিবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দুই সম্পাদক বলেন—চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শুধু একটি ভবন নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার অবিচ্ছেদ্য ঠিকানা; নিরাপদ ও পেশাদার কর্মপরিবেশ রক্ষায় সবার অবদান প্রয়োজন। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কার সংকট ও নতুন শুরু,বিবৃতিতে বলা হয়, গত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কালে কিছু সংখ্যক সাংবাদিকের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ, ক্ষমতাসীনদের চাটুকারিতা এবং ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণবিপ্লবের সময় উসকানিমূলক ভূমিকার কারণে প্রেস ক্লাব ক্ষুব্ধ জনতার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া দেশপ্রেমিক সাংবাদিক ও সম্পাদকদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পায়—যা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেবা পুনরায় চালু, সদস্যদের নিয়মিত আগমনের আহ্বান,গত বছরের নভেম্বর থেকে সরকারি তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর সদস্য ও সাংবাদিকরা নিয়মিত ক্লাবে এসে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করছেন।অতি শিগগিরই ক্লাবে চিকিৎসা সেবাও যুক্ত করা হবে, যা পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দুই সম্পাদক বলেন—“প্রেস ক্লাবের মান-মর্যাদা পুনর্গঠনে নিয়মিত উপস্থিতি ও সক্রিয়তার বিকল্প নেই। সদস্যরা প্রাপ্য সেবা গ্রহণ করবেন, মতবিনিময় করবেন, পেশাগত উন্নয়ন ও নীতিনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তুলবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” বিবৃতিতে রাষ্ট্রের সংবিধানের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়—সভা-সমাবেশে যোগদান এবং সংগঠন করার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তবে জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও জনস্বার্থ রক্ষার বিষয়ে যুক্তিযুক্ত সীমাবদ্ধতা সকলকে মেনে চলতে হবে। দুই সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেন—“চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শান্তিপ্রিয়, নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকদের ঠিকানা। এখানে ফ্যাসিবাদী, উগ্র বা জঙ্গি মনোভাবাপন্ন কোনো ব্যক্তি বা সাংবাদিকের স্থান নেই।” তারা সবাইকে বিভ্রান্তিকর পরামর্শ বর্জন করে প্রেস ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রমে দায়িত্বশীলভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। ঐক্যই শক্তি—প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষাই প্রধান লক্ষ্য,বিবৃতির শেষাংশে জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন—“চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা পুনরুদ্ধার,পেশাদারিত্বের মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিক সমাজে সত্যিকারের ঐক্য প্রতিষ্ঠায় এখনই সময়। সকল সদস্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে—স্বার্থ, দলাদলি বা ব্যক্তিগত বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে প্রেস ক্লাবকে সাংবাদিকতার আদর্শ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”