০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

চট্টগ্রামের অন্ধকার গলির দানব রাব্বি গ্রেফতার—ডাকাতি ষড়যন্ত্র মামলায় বড় ধাক্কা অপরাধচক্রের

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২০৩ Time View

 বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আলিশাহ নগর বন্দরটিলা কাঁচাবাজারের অন্ধকার গলি থেকে কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও অপহরণচক্রের সক্রিয় সদস্য ইমন রাব্বি (২৫), পিতা: জিয়াউল হক রাব্বি কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বহুদিন ধরে এলাকাজুড়ে ত্রাস ছড়িয়ে ছিনতাই, অপহরণ আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল এই রাব্বি। ধারা ৩৯৯: ডাকাতির পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি নিলেই এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ধারা ৪০২: পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে ডাকাতির ষড়যন্ত্র করলে এ ধারা প্রযোজ্য। অর্থাৎ, রাব্বি একক অপরাধী নন—সে ছিল সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্রের সদস্য। এই ধারার অধীনে গ্রেফতার মানেই—চক্রটির অপরাধ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে প্রমাণিত। অভিযানটি পরিচালিত হয় সিএমপি’র বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আমিরুল ইসলাম এর সার্বিক নির্দেশনায়। তত্ত্বাবধানে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাংগীর ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাহমুদুল হাসান। নেতৃত্বে ছিলেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া। সরাসরি মাঠে ছিলেন এসআই মোঃ আরিফ হোসেনসহ এএসআই আব্দুল কাদের সংগীয় ফোর্সসহ। মঙ্গলবার গভীর রাতের অভিযানে রাব্বিকে গ্রেফতার করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে—সে একটি সংঘবদ্ধ অপহরণচক্রের সক্রিয় সদস্য। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে পুলিশের জালে ধরা পড়ে আরেক সহযোগী মোঃ জিসান। ইপিজেড থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন—“গ্রেফতারকৃত আসামীকে মামলা নং-০৫, তারিখ ২৩/০৯/২০২৫, ধারা ৩৯৯/৪০২ অনুযায়ী আসামি ইমন রাব্বিকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। রিমান্ডে নিলে পুরো চক্রের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।” দীর্ঘদিন রাব্বির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। স্থানীয়দের ভাষায়—“এই গ্রেফতার পুরো চক্র ধ্বংস করার পথ খুলে দিয়েছে। আমরা চাই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত এভাবে অভিযান চালিয়ে যাক।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রমাণ করেছে -কুখ্যাত অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন, আইনের কাছে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হবেই। রাব্বির গ্রেফতার দেখিয়ে দিল—অপরাধের জায়গা চট্টগ্রামে আর নেই।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

চট্টগ্রামের অন্ধকার গলির দানব রাব্বি গ্রেফতার—ডাকাতি ষড়যন্ত্র মামলায় বড় ধাক্কা অপরাধচক্রের

Update Time : ০৬:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আলিশাহ নগর বন্দরটিলা কাঁচাবাজারের অন্ধকার গলি থেকে কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও অপহরণচক্রের সক্রিয় সদস্য ইমন রাব্বি (২৫), পিতা: জিয়াউল হক রাব্বি কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বহুদিন ধরে এলাকাজুড়ে ত্রাস ছড়িয়ে ছিনতাই, অপহরণ আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল এই রাব্বি। ধারা ৩৯৯: ডাকাতির পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি নিলেই এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ধারা ৪০২: পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে ডাকাতির ষড়যন্ত্র করলে এ ধারা প্রযোজ্য। অর্থাৎ, রাব্বি একক অপরাধী নন—সে ছিল সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্রের সদস্য। এই ধারার অধীনে গ্রেফতার মানেই—চক্রটির অপরাধ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে প্রমাণিত। অভিযানটি পরিচালিত হয় সিএমপি’র বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আমিরুল ইসলাম এর সার্বিক নির্দেশনায়। তত্ত্বাবধানে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাংগীর ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাহমুদুল হাসান। নেতৃত্বে ছিলেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া। সরাসরি মাঠে ছিলেন এসআই মোঃ আরিফ হোসেনসহ এএসআই আব্দুল কাদের সংগীয় ফোর্সসহ। মঙ্গলবার গভীর রাতের অভিযানে রাব্বিকে গ্রেফতার করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে—সে একটি সংঘবদ্ধ অপহরণচক্রের সক্রিয় সদস্য। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে পুলিশের জালে ধরা পড়ে আরেক সহযোগী মোঃ জিসান। ইপিজেড থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন—“গ্রেফতারকৃত আসামীকে মামলা নং-০৫, তারিখ ২৩/০৯/২০২৫, ধারা ৩৯৯/৪০২ অনুযায়ী আসামি ইমন রাব্বিকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। রিমান্ডে নিলে পুরো চক্রের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।” দীর্ঘদিন রাব্বির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। স্থানীয়দের ভাষায়—“এই গ্রেফতার পুরো চক্র ধ্বংস করার পথ খুলে দিয়েছে। আমরা চাই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত এভাবে অভিযান চালিয়ে যাক।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রমাণ করেছে -কুখ্যাত অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন, আইনের কাছে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হবেই। রাব্বির গ্রেফতার দেখিয়ে দিল—অপরাধের জায়গা চট্টগ্রামে আর নেই।