ক্ষত-বিক্ষত জীবন।
- Update Time : ১১:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
- / ৫২৪ Time View

লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি.সি.পি.সি) কেন্দ্রীয় কমিটি। #দুঃখ_ও_বঞ্চনার_কাব্য– ছয়েই নিভে গেল বাবার মুখের দীপ্ত আলো, দশেই শেষ ভরসা নানার বিদায়—ভেঙে পড়ল আলো। ভরসার সব দরজা যেন একে একে বন্ধ, জীবন তখন শেখালো—দুঃখই তার ছন্দ। স্নেহের বদলে জুটেছে চাহিদার দায়, ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছি হিসেবের খায়। কাঁধে চেপেছে বোঝা, মুখে পরে হাসি, ভেতরে রক্ত ঝরে—বাহিরে নিঃশ্বাসই কাঁদে ফাঁসি। সবাই শুধু চায়—”দাও, দাও আরও!” কেউ বলে না—”তুমি কি একা বয়ে বেড়াও কতো ব্যথা কও?” রাতের ঘুমে জ্বলছে যে অশ্রু, সে কারো নয় চিন্তা, আলো নিভলেই বোঝা যায়—বুকের কান্না কতটা নীচু সিঁড়ি। ভালোবাসা—সেটা শুধু রূপকথার গল্প, বাস্তবে তার স্থানে আছে শূন্যতার কলঙ্কচিহ্ন। যারা বলেছিল—”রইবো পাশে সারাটি জীবন”, তারাই দিলো কাঁটা, ছুঁড়ে মারলো নিঃশব্দ যন্ত্রণার ফণি। জন্মটা বুঝি হয়েছিল কেবল দায়ে, ভালোবাসা ছিল না, ছিল স্বার্থের ছায়ে। তবু আজও বাঁচি, হেঁটে যাই রক্তাক্ত পায়ে, কারণ জীবন থামে না—সে কাঁদালেও ছাড়ে না পথে। ক্ষতগুলোই আজ আমার গোপন গান, যন্ত্রণাগুলোই হৃদয়ের নিঃশব্দ টান। এই বুকভরা কান্না, এই নিঃশ্বাসে ধ্বনি— আমি এক ক্ষতচিহ্ন, এক জীবন্ত কবিতার বর্ণনা আমি।




















