লেখক:মাহমুদা রানি
মসজিদের আযানের পর,
মুয়াজ্জিন আমাকে মৃত ঘোষণা করলো।
কিন্তু, আমার মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাওয়া গেল না!
সমাজের লোকজন আমার মৃত্যু নিয়ে;
মহা বিড়াম্বনায় পড়ে গেল।
সহসা আমাকে নাড়িয়ে তারা দেখতে পেলো;
আমার হাতে ছিল এক গুচ্ছ রঙ্গন ফুল।
রঙ্গন ফুলকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হলো-
ফরেনসিক রিপোর্টে জানা গেল!
রঙ্গন ফুল দাতার করাল বিষে,
আমার মানসিক আঘাতজনিত নিদারুণ মৃত্যু ঘটেছে।
অথচ,রঙ্গন ফুন দাতাকে ঘিরে,
আমার বাঁচার কথা ছিল আরও একশ এক বছর।
সে আমাকে বাঁচতে দিল না ------
আমি আমার মৃত্যুর উপযুক্ত কারণ,
উল্লেখ করে মারা যায়নি।
এখানে রঙ্গন ফুল দাতার কোনো শাস্তি হলো না!
আমি মরে গিয়ে বরং তাকে বাঁচিয়েই দিলাম।
আমি এখন কবর ও আখিরাতের আজাব সহ্য করছি!
কিন্তু রঙ্গন ফুল দাতার এখন ভরা সংসার ;
তার সুখের কোন অভাব নেই ------
আমি মরে গিয়ে বরং হেরে গেলাম,
আর হেরে গেলো আমার স্বচ্ছ ভালোবাসা।