০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

বেতন বৃদ্ধির দাবি করায় মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ; ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২২৯ Time View

 উজ্জ্বল রায়,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:বেতন বৃদ্ধির দাবি করায় প্রতিশোধমূলকভাবে মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন ও দীর্ঘদিনের হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মেসার্স আর.কে এন্টারপ্রাইজের সাবেক কর্মচারী মো. মোস্তাকিম। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় খানসামা মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। লিখিত বক্তব্যে মো. মোস্তাকিম জানান, তিনি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার চকমহাদেব গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রায় নয় বছর ধরে মেসার্স আর.কে এন্টারপ্রাইজে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে কখনো চুরি, অর্থ আত্মসাৎ কিংবা কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠেনি বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়ায় বেতন বৃদ্ধি প্রয়োজন—এ কথা মালিক মো. রবিউল ইসলামকে জানানো হলে বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়। পরবর্তীতে স্বল্প বেতনে দীর্ঘদিন কাজ করার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি চাকরি ছাড়লে প্রতিশোধমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে খানসামা থানায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। মো. মোস্তাকিমের অভিযোগ, থানায় করা ওই অভিযোগের তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন এবং অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। তবে অভিযোগ নিষ্পত্তি হলেও তার বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধ হয়নি বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গত ১১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ডাচ্-বাংলা রকেট মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ডিএসআর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বীরগঞ্জ যাওয়ার পথে খানসামা উপজেলার ঘাটপাড় এলাকায় তাকে আটক করে মারধর করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মো. মোস্তাকিম দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাকে দমন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাপ প্রয়োগ করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি মাদ্রাসা উন্নয়নের নামে সংগৃহীত অনুদানের অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

বেতন বৃদ্ধির দাবি করায় মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ; ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৬:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 উজ্জ্বল রায়,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:বেতন বৃদ্ধির দাবি করায় প্রতিশোধমূলকভাবে মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন ও দীর্ঘদিনের হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মেসার্স আর.কে এন্টারপ্রাইজের সাবেক কর্মচারী মো. মোস্তাকিম। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় খানসামা মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। লিখিত বক্তব্যে মো. মোস্তাকিম জানান, তিনি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার চকমহাদেব গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রায় নয় বছর ধরে মেসার্স আর.কে এন্টারপ্রাইজে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে কখনো চুরি, অর্থ আত্মসাৎ কিংবা কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠেনি বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়ায় বেতন বৃদ্ধি প্রয়োজন—এ কথা মালিক মো. রবিউল ইসলামকে জানানো হলে বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়। পরবর্তীতে স্বল্প বেতনে দীর্ঘদিন কাজ করার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি চাকরি ছাড়লে প্রতিশোধমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে খানসামা থানায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। মো. মোস্তাকিমের অভিযোগ, থানায় করা ওই অভিযোগের তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন এবং অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। তবে অভিযোগ নিষ্পত্তি হলেও তার বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধ হয়নি বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গত ১১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ডাচ্-বাংলা রকেট মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ডিএসআর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বীরগঞ্জ যাওয়ার পথে খানসামা উপজেলার ঘাটপাড় এলাকায় তাকে আটক করে মারধর করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মো. মোস্তাকিম দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাকে দমন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাপ প্রয়োগ করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি মাদ্রাসা উন্নয়নের নামে সংগৃহীত অনুদানের অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।