০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

বকশীগঞ্জে মানবাধিকার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হলেন ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৩৯ Time View

 নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ দরিদ্র নির্যাতিত নিপিড়ীত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের” বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান। সাঈদ হাসান বকশীগঞ্জ উপজেলার আইড়মারী গ্রামের বাসিন্দা। সভাপতি হিসেবে আসিফ খন্দকার রয়েছেন। মঙ্গলবার পূর্নাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের” নির্বাহী প্রধান এ.কে.এম নুরুল আমিন। কমিটিতে অন্যান্য পদে যারা রয়েছেন তারা হলেন,সিনিয়ির সহ-সভাপতি আবদুল হক,সহ সভাপতি মাওলানা শাহজালাল,শফিকুল ইসলাম,মাসুদ বকশী,জাকির হোসেন,সহ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল্লাহ,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তারা মিয়া,আইন বিষয়ক সম্পাদক হযরত আলী আকন্দ,মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল হায়দার,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাফিউজ্জামান সোহেল,দপ্তর সম্পাদক শাজাহান মিয়া,সহ দপ্তর মনিরুজ্জামান,প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,সহ প্রচার সম্পাদক আল আমিন মিয়া ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজল বেগম। জানা যায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় ৬ বছর আগে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাড়ি জমান সাঈদ হাসান ও তার ভাই শফিকুল ইসলাম। সেখানে প্রতিষ্ঠিত হলেও মনের টান পড়ে থাকে নিজের গ্রামের মাটিতে। খোঁজখবর নেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের। লন্ডনে শত ব্যস্ততার মাঝে থেকেই নিয়মিত খোজঁ খবর রাখেন এলাকার মানুষের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব সময় সরব থাকেন তিনি। সম্প্রতি বকশীগঞ্জে দিনের বেলায় প্রায় ৬০ বছর বয়সী আকালু মিয়া নামে একজনের একটি অটোভ্যান ছিনতাই হয়। ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন আকালু মিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সাঈদ হাসানের নজরে আসেন। তাৎক্ষনিক তিনি আকালু মিয়াকে একটি ভ্যান ও নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেন। তার দেওয়া ভ্যান ইউএনও আকালু মিয়ার হাতে তুলে দেন। এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় অনুদান,নদী ভাঙন কবলিত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা,গরীব অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহায়তা,এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য সহ্য়াতা করে আসছেন নিয়মিত। এবং গরীব আত্মীয় স্বজনের বিপদে সব সময় পাশে থাকেন তিনি। ইতোমধ্যে তার সামাজিক কর্মকান্ড এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশংসায় ভাসছেন লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান। ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান বলেন,বিদেশে থাকি ঠিকই, কিন্তু মন পড়ে থাকে নিজের এলাকায়। এখানকার মানুষজন, পরিবেশ সবকিছুই আমার কাছে খুব আপন। প্রবাসে থাকা একজন মানুষের সবচেয়ে বড় যে টান তা হলো নাড়ির টান। এই টানের কারণেই একজন প্রবাসীকে দেশ নিয়ে ভাবায়, ভাবায় তাকে ভালো কিছু নিয়ে তার দেশের কাছে,তার নাড়ির কাছে ফিরতে হবে। নইলে তার প্রবাস জীবন ব্যর্থ। আমি বিশ্বাস করি বিদেশে থাকলেও দেশের প্রতি এলাকার মানুষের প্রতি আমার দ্বায়বদ্ধতা আছে। তাই যতটুকু পারি সমাজের জন্য ও এলাকার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিদেশে থাকলেও আমি সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে চাই। কোনও গরীব অসহায় মানুষের মুখে হাসি দেখলে আমি শান্তি পাই। এই শান্তি টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। আমার চাওয়া পাওয়া কিছু নাই,এলাকার মানুষের কাছে শুধু দোয়া চাই। আমার যতদিন সামর্থ্য থাকবে ততদিন মানবিক কাজ করে যাবো। তাকে সাধারণ সম্পাদক করায় হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সকলকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

বকশীগঞ্জে মানবাধিকার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হলেন ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান

Update Time : ০৯:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

 নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ দরিদ্র নির্যাতিত নিপিড়ীত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের” বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান। সাঈদ হাসান বকশীগঞ্জ উপজেলার আইড়মারী গ্রামের বাসিন্দা। সভাপতি হিসেবে আসিফ খন্দকার রয়েছেন। মঙ্গলবার পূর্নাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের” নির্বাহী প্রধান এ.কে.এম নুরুল আমিন। কমিটিতে অন্যান্য পদে যারা রয়েছেন তারা হলেন,সিনিয়ির সহ-সভাপতি আবদুল হক,সহ সভাপতি মাওলানা শাহজালাল,শফিকুল ইসলাম,মাসুদ বকশী,জাকির হোসেন,সহ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল্লাহ,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তারা মিয়া,আইন বিষয়ক সম্পাদক হযরত আলী আকন্দ,মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল হায়দার,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাফিউজ্জামান সোহেল,দপ্তর সম্পাদক শাজাহান মিয়া,সহ দপ্তর মনিরুজ্জামান,প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,সহ প্রচার সম্পাদক আল আমিন মিয়া ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজল বেগম। জানা যায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় ৬ বছর আগে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাড়ি জমান সাঈদ হাসান ও তার ভাই শফিকুল ইসলাম। সেখানে প্রতিষ্ঠিত হলেও মনের টান পড়ে থাকে নিজের গ্রামের মাটিতে। খোঁজখবর নেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের। লন্ডনে শত ব্যস্ততার মাঝে থেকেই নিয়মিত খোজঁ খবর রাখেন এলাকার মানুষের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব সময় সরব থাকেন তিনি। সম্প্রতি বকশীগঞ্জে দিনের বেলায় প্রায় ৬০ বছর বয়সী আকালু মিয়া নামে একজনের একটি অটোভ্যান ছিনতাই হয়। ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন আকালু মিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সাঈদ হাসানের নজরে আসেন। তাৎক্ষনিক তিনি আকালু মিয়াকে একটি ভ্যান ও নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেন। তার দেওয়া ভ্যান ইউএনও আকালু মিয়ার হাতে তুলে দেন। এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় অনুদান,নদী ভাঙন কবলিত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা,গরীব অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহায়তা,এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য সহ্য়াতা করে আসছেন নিয়মিত। এবং গরীব আত্মীয় স্বজনের বিপদে সব সময় পাশে থাকেন তিনি। ইতোমধ্যে তার সামাজিক কর্মকান্ড এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশংসায় ভাসছেন লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান। ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান বলেন,বিদেশে থাকি ঠিকই, কিন্তু মন পড়ে থাকে নিজের এলাকায়। এখানকার মানুষজন, পরিবেশ সবকিছুই আমার কাছে খুব আপন। প্রবাসে থাকা একজন মানুষের সবচেয়ে বড় যে টান তা হলো নাড়ির টান। এই টানের কারণেই একজন প্রবাসীকে দেশ নিয়ে ভাবায়, ভাবায় তাকে ভালো কিছু নিয়ে তার দেশের কাছে,তার নাড়ির কাছে ফিরতে হবে। নইলে তার প্রবাস জীবন ব্যর্থ। আমি বিশ্বাস করি বিদেশে থাকলেও দেশের প্রতি এলাকার মানুষের প্রতি আমার দ্বায়বদ্ধতা আছে। তাই যতটুকু পারি সমাজের জন্য ও এলাকার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিদেশে থাকলেও আমি সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে চাই। কোনও গরীব অসহায় মানুষের মুখে হাসি দেখলে আমি শান্তি পাই। এই শান্তি টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। আমার চাওয়া পাওয়া কিছু নাই,এলাকার মানুষের কাছে শুধু দোয়া চাই। আমার যতদিন সামর্থ্য থাকবে ততদিন মানবিক কাজ করে যাবো। তাকে সাধারণ সম্পাদক করায় হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সকলকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।