১১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

দীর্ঘদিনের আতঙ্ক শেষ, জিসান পুলিশের জালে,কিন্তু এখনও তার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্থানীয়দের ওপর হুমকি

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩১৩ Time View

 বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা কাঁচাবাজারের পিছনের এলাকায়, যেখানে বছরের পর বছর কিশোর গ্যাং ও অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল, অবশেষে এলাকাবাসীর সরাসরি সহযোগিতা ও পুলিশের কৌশলগত অভিযানে কুখ্যাত কিশোর গ্যাং সদস্য জিসান মির্জা (১৬) গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযানটি পরিচালনা করেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া। সিএমপি’র বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আমিরুল ইসলাম এর নির্দেশনা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাহমুদুল হাসান এর কঠোর তত্ত্বাবধানে এসআই মোঃ আরিফ হোসেন সহ সংগীয় ফোর্স অভিযান চালান। গ্রেফতারকৃত জিসানের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানার মামলা নং–০৫ (ধারা ৩৯৯/৪০২ দণ্ডবিধি) চলছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় ভয়ঙ্কর অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। জিসানের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার ইসাপুর/ভেন্ডার বাড়ি এলাকায়। তার পিতা মোঃ রাশেদ ও মাতা সুমি বেগম বর্তমানে চট্টগ্রামের বিজয়নগরে বসবাস করছেন। কিন্তু গ্রেফতারের পরেই ortaya এসেছে জিসানের ভয়ঙ্কর ছায়া। এলাকার বেশ কয়েকজন বাড়িওয়ালা, যারা তার ধরা পড়ায় সরাসরি সহযোগিতা করেছিলেন, জিসানের পক্ষ থেকে হুমকির মুখোমুখি হয়েছেন। জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার পরও সে নিজের প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্থানীয়দের মনস্তাত্ত্বিক ভয় তৈরি করছে। এলাকাবাসী বলছে—”পুলিশ যদি কঠোর অবস্থানে থাকে, তাহলে এ ধরনের অপরাধচক্র আর টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু জিসান এখনো তার নেটওয়ার্কের ছায়া ব্যবহার করে হুমকি দিচ্ছে।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। সিএমপি’র বন্দর বিভাগ নিশ্চিত করেছে—অপরাধী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এবার কঠোর অবস্থানে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

https://www.profitableratecpmnetwork.com/v1jxam82i?key=6e48215f3367986c0b5d80f8d170897b

দীর্ঘদিনের আতঙ্ক শেষ, জিসান পুলিশের জালে,কিন্তু এখনও তার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্থানীয়দের ওপর হুমকি

Update Time : ০৯:৩৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা কাঁচাবাজারের পিছনের এলাকায়, যেখানে বছরের পর বছর কিশোর গ্যাং ও অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল, অবশেষে এলাকাবাসীর সরাসরি সহযোগিতা ও পুলিশের কৌশলগত অভিযানে কুখ্যাত কিশোর গ্যাং সদস্য জিসান মির্জা (১৬) গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযানটি পরিচালনা করেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া। সিএমপি’র বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আমিরুল ইসলাম এর নির্দেশনা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাহমুদুল হাসান এর কঠোর তত্ত্বাবধানে এসআই মোঃ আরিফ হোসেন সহ সংগীয় ফোর্স অভিযান চালান। গ্রেফতারকৃত জিসানের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানার মামলা নং–০৫ (ধারা ৩৯৯/৪০২ দণ্ডবিধি) চলছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় ভয়ঙ্কর অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। জিসানের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার ইসাপুর/ভেন্ডার বাড়ি এলাকায়। তার পিতা মোঃ রাশেদ ও মাতা সুমি বেগম বর্তমানে চট্টগ্রামের বিজয়নগরে বসবাস করছেন। কিন্তু গ্রেফতারের পরেই ortaya এসেছে জিসানের ভয়ঙ্কর ছায়া। এলাকার বেশ কয়েকজন বাড়িওয়ালা, যারা তার ধরা পড়ায় সরাসরি সহযোগিতা করেছিলেন, জিসানের পক্ষ থেকে হুমকির মুখোমুখি হয়েছেন। জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার পরও সে নিজের প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্থানীয়দের মনস্তাত্ত্বিক ভয় তৈরি করছে। এলাকাবাসী বলছে—”পুলিশ যদি কঠোর অবস্থানে থাকে, তাহলে এ ধরনের অপরাধচক্র আর টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু জিসান এখনো তার নেটওয়ার্কের ছায়া ব্যবহার করে হুমকি দিচ্ছে।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। সিএমপি’র বন্দর বিভাগ নিশ্চিত করেছে—অপরাধী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এবার কঠোর অবস্থানে।